ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা

আজকের পরিবেশ আগামীকাল থাকবে না আদালতে আমু

  • আপলোড সময় : ০৮-১১-২০২৪ ০১:০৬:২০ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৮-১১-২০২৪ ০১:০৬:২০ পূর্বাহ্ন
আজকের পরিবেশ আগামীকাল থাকবে না আদালতে আমু
আওয়ামী লীগ নেতা আমির হোসেন আমু বলেছেন, আজ যে পরিবেশ দেখছেন আগামীকাল তা থাকবে এটা মনে করবেন না। আমরা একে অপরের ভাই ভাই। মিলে-মিশে থাকা উচিত। আমরা এক সাথে থাকবো। কেন দ্বন্দ্বে জড়াবো? তখন বিএনপির আইনজীবীরা চিৎকার শুরু করেন। তারা বলেন, আমু ভয় দেখাচ্ছেন। তখন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তাদের শান্ত করেন। পরে আমু বলেন, আমরা যার যার পক্ষ অবলম্বন করবো। নিজেরা নিজেরা কেন দ্বন্দ্বে জড়াবো। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাহিন রেজার আদালতে রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় ব্যবসায়ী আবদুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় রিমান্ড শুনানিতে একথা বলেন আমির হোসেন আমু। বক্তব্যের শুরুতে আমির হোসেন বলেন, আমি ঢাকা বারের সদস্য, হাইকোর্ট বারের সদস্য। এখানকার পরিবেশ দেখে দুঃখিত। এই পরিবেশে কিছু বলা উচিত না। মামলা চলবে। ভবিষ্যতে আমি আমার বক্তব্য উপস্থাপন করবো। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অনেক কথা বলেছেন। আমি একজন রাজনিতিবিদ। রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে গেলে দুই ঘণ্টা লেগে যাবে। এরপর ওমর ফারুক বলেন, যখন তিনি ক্ষমতায় ছিলেন তখন কি খবর নিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্ট, ঢাকা বারের? আইনজীবীরা তো ভালোই ছিল। কিন্তু নির্বাচনের সময় সিল মেরে ভোট নিয়ে গেছে, আইনজীবীদের মারধর করেছে। তখন তিনি কী ভূমিকা নিয়েছিলেন? পরে আমু বলেন, প্রথমবার যখন গোলমাল হয় আমি এর বিরোধিতা করি। ভোট দিতে আসিনি, বয়কট করেছি। পরে আদালত তার ৬ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন। এর আগে রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ড মঞ্জুরের পক্ষে শুনানি করেন। শুনানিতে ফারুকী বলেন, স্বাধীনতার পর শেখ মুজিবকে ভুল বুঝিয়ে ষড়যন্ত্রের বীজ বপন করেন আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদ। স্বৈরাচারী বাকশাল তৈরি করেন। রক্ষীবাহিনী গঠন করে ৩৫ হাজার জাসদ নেতা হত্যা করেছেন। যারা স্বাধীনতা আন্দোলনে সুফল ঘরে তুলতে চেয়েছিল তাদের রাজনীতি থেকে কোণঠাসা করেন। শেখ হাসিনাকে একইভাবে স্বৈরাচার করে তুলতে নিকৃষ্ট ভূমিকা পালন করেছেন। গুম, খুন, হত্যা, আয়নাঘরের কারিগর মূলত তারাই। তিনি বলেন, আবার ওয়ান ইলেভেনের সময় তারা আবার শেখ হাসিনাকে মাইনাস করতে চেয়েছে। চৌদ্দ দলের নেতা, যারা কোনো এলাকার মেম্বর হওয়ার যোগ্য, তারা মহাজোটের নামে ভন্ডামি করেছে। তাদের সমন্বয়ক ছিলেন তিনি। এ দলগুলো বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় গণভবনের ৪ আগস্টের আলোচিত মিটিং করে হত্যার পরিকল্পনা করেছে। গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে আমির হোসেন আমুর বিপুল অংকের টাকা, স্বর্ণের নৌকা উপহার নেওয়া, টাকার জাজিমে ঘুমানো ও লুটপাটের তথ্য তুলে ধরেন। ওয়াদুদ হত্যা মামলার পরিকল্পনাকারী হিসেবে আমির হোসেন আমু সরাসরি জড়িত উল্লেখ করে আমুর সর্বোচ্চ রিমান্ড প্রার্থনা করেন। এসময় ওমর ফারুক ফারুকীর বক্তব্যকে রাজনৈতিক বলে মন্তব্য করেন আমুর আইনজীবী স্বপন রায় চৌধুরী। পরে তাকে মারধর করে আদালত থেকে বের করে দেওয়া হয়। এ সময় আদালত কিছুটা বিশৃঙ্খল পরিবেশ দেখা যায়। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পরিস্থিতি শান্ত করেন। এরপর আমুর পক্ষে অন্য আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। পরে আদালত আমুর বক্তব্য শুনতে চান। উল্লেখ্য, সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমুকে গত বুধবার গ্রেপ্তারের তথ্য জানায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গত ১৯ জুলাই নিউমার্কেট থানাধীন নীলক্ষেত এলাকায় নিহত আবদুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স